বকশীগঞ্জ ধানুয়া কামালপুরে নাজমুল হক সাঈদীর গণসংযোগ ও পথসভা
মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা।।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত জামালপুর-১ (বকশীগঞ্জ-দেওয়ানগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য এডভোকেট মাওলানা নাজমুল হক সাঈদী শুক্রবার (০৩ সেপ্টেম্বর) বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নে ব্যাপক গণসংযোগ করেছেন।
গণসংযোগ কর্মসূচিতে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বকশীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মোঃ শফিকুল্লাহ বিএসসি, সাধুরপাড়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা ওমর ফারুক, বাট্টাজোর ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মোঃ আবু সাইদ, সেক্রেটারি মোঃ জিয়াউল হক, ঢাকাস্থ আদর্শিক বকশীগঞ্জের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফরহাদ হাসান রানা সহ দুই শতাধিক নেতাকর্মী।
এসময় তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঘুরে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং আসন্ন নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ইসলামী আইন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি কল্যাণ রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব, এজন্য জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন।
গণসংযোগ শেষে ধানুয়া কামালপুর বাজারে এক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা সুলতান মাহমুদ। প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন এমপি প্রার্থী এডভোকেট নাজমুল হক সাঈদী।
তার বক্তৃতায় তিনি বলেন,
“স্বাধীনতার ৫৫ বছর পার হলেও আমরা কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন করতে পারিনি। স্বাধীনতার পর আমাদের সঙ্গে পথচলা সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া আজ উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। আমাদের পরে স্বাধীন হওয়া ভিয়েতনামও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছে। অথচ বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। এর একমাত্র কারণ হচ্ছে দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনৈতিক ব্যবস্থা। ইসলামই পারে এই জাতিকে উদ্ধার করতে। তাই পরীক্ষামূলক হলেও একবার জামায়াতে ইসলামকে বিজয়ী করুন, ইনশাআল্লাহ আমরা ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করব।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকাস্থ আদর্শিক বকশীগঞ্জের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফরহাদ হাসান রানা বলেন,
“আজও আমাদের স্বাধীনতা বিরোধী ট্যাগ দিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। অথচ বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট আমাদের নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন। এতে প্রমাণিত হয় যে আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক অপবাদ দিয়ে কোনো লাভ নেই। যারা আমাদের দেশ থেকে তাড়াতে চেয়েছিল, আজ তারাই বিশ্বের কোথাও টিকে থাকতে পারছে না। দেশের মানুষ এখন বুঝে গেছে কে ভালো মানুষ আর কে চাঁদাবাজ। তাই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামকে আর দাবিয়ে রাখা যাবে না।”
এ সময় অন্যান্য নেতৃবৃন্দও বক্তব্য দেন। বক্তারা আগামী জাতীয় নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে ইসলামী আন্দোলনকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান।



