বকশীগঞ্জে নবনির্বাচিত সভাপতিকে ফুলেল শুভেচ্ছা

Sep 24, 2025 - 13:25
বকশীগঞ্জে নবনির্বাচিত সভাপতিকে ফুলেল শুভেচ্ছা

মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা।।
জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাট্টাজোড় কেরামতিয়া রিয়াজুল ইসলাম কামিল মাদ্রাসার নবগঠিত গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতার যোগ্য উত্তরসূরী ও বস প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজের মালিক জনাব আল মামুন সিদ্দিকীর সহধর্মিণী জনাব খালেদা সিদ্দিকী।

এ উপলক্ষে অপর একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাসিনা গাজী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত সভাপতিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। গত ২২ সেপ্টেম্বর বিকেলে বাট্টাজোড় কেরামতিয়া কামিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা সুলতান মাহমুদ খসরু। প্রধান অতিথি ছিলেন নবনির্বাচিত সভাপতি জনাব খালেদা সিদ্দিকী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার বর্তমান সহ-সভাপতি জনাব আল মামুন সিদ্দিকী এবং উপাধ্যক্ষ মাওলানা আদেল ইবনে আওয়াল আরমান।

এ ছাড়া হাসিনা গাজী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল মতিন, সহকারী শিক্ষক মাওলানা আখতারুজ্জামান এবং শিক্ষক মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা। তারা ফুলেল তোড়া দিয়ে নবনির্বাচিত সভাপতি খালেদা সিদ্দিকীকে বরণ করে নেন।

সভায় বক্তারা বলেন, “নবনির্বাচিত সভাপতি খালেদা সিদ্দিকীর নেতৃত্বে মাদ্রাসাটি আরও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়নে তার আন্তরিক ভূমিকা প্রতিষ্ঠানকে সমৃদ্ধ করবে।”

প্রধান অতিথি খালেদা সিদ্দিকী তার বক্তব্যে বলেন,
“আমার দাদা শুশুর মরহুম রিয়াজুল ইসলাম মন্ডল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠাকালে ০২/০৩/১৯৪০ সালের ১৬৪২ নং স্বত্বার্পণ দলিলের মাধ্যমে ৮.১৮ একর আবাদী জমি দান করেছিলেন। দলিলে তিনি উল্লেখ করেছিলেন যে, জীবদ্দশায় তিনি মাদ্রাসার সেক্রেটারি থাকবেন এবং তাঁর মৃত্যুর পর যোগ্য ওয়ারিশ বা তাঁদের মনোনীত কেউ এ দায়িত্ব পালন করবেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজ আমি এই মাদ্রাসার সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। এই দায়িত্ব আমাকে যে সম্মান ও ভালোবাসা দিয়ে অর্পণ করা হয়েছে, তা রক্ষা করতে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠানকে একটি আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলব।”

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা হয় এবং মাদ্রাসার সার্বিক উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।