“যশোরে বিশেষ অভিযানে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের ১০ সদস্য গ্রেফতার, ১১ চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার”
যশোরে বিশেষ অভিযানে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের ১০ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ১১টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ অভিযান চলাচল করছে।
যশোর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)-এর বিশেষ অভিযানে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের ১০ জন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ১১টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
জেলা গোয়েন্দা শাখা, যশোরের এসআই (নিঃ) মোঃ কামরুজ্জামান ও এএসআই (নিঃ) রঞ্জন কুমার বসু’র নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। ০৯/০৭/২০২৫ তারিখে যশোর জেলার কোতয়ালী থানাধীন পালবাড়ি ভাস্কর্যের মোড় এলাকা থেকে মোটরসাইকেল ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থানরত চোরাই মোটরসাইকেল চক্রের সদস্য মোঃ শহিদুল ইসলাম @ শহিদ (৪২) কে গ্রেফতার করা হয়।
ধৃত আসামীর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, অভিযানকারী টিম নড়াইল ও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোট ৬ জন আসামীকে গ্রেফতার করে এবং তাদের হেফাজত থেকে ৪টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। এ সংক্রান্তে ডিবি’র এএসআই (নিঃ) রঞ্জন কুমার বসু বাদী হয়ে যশোর জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় এজাহার দায়ের করেন (মামলা নং-৩৬, তারিখ-১০/০৭/২০২৫, ধারা-৩৭৯/৪১১/৪১৩ পিসি)। ধৃত আসামীদের ১০/০৭/২০২৫ তারিখে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
যশোর পুলিশ সুপারের নির্দেশক্রমে মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই (নিঃ) মোঃ কামরুজ্জামান সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সের সঙ্গে ১১ ও ১২/০৯/২০২৫ তারিখে গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী, মোকসেদপুর ও সদর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোটরসাইকেল চোরচক্রের আরও ৪ জন সক্রিয় সদস্য — ১। মোঃ হাসানুর রহমান (২২), ২। মোঃ মুরসালিম (২১), ৩। মোঃ আজিম শিকদার (২১), ৪। মোঃ তামিম (২৪) — কে গ্রেফতার করে।
এই অভিযানে ধৃতদের হেফাজত থেকে ২টি Yamaha R15, ৩টি SUZUKI Gixxer, ১টি Pulsar এবং ১টি Yamaha FZ V-3 মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। এ পর্যন্ত ১০ জন গ্রেফতার ও ১১টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের ১২/০৯/২০২৫ তারিখে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। পুলিশ জানায়, অভিযান চলমান রয়েছে এবং চোর চক্রের অন্য সদস্যদেরও শনাক্ত করতে সব রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।



